০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

Ada. Munna Telecom1

তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায়। ঘন কুয়াশা সাথে হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সকাল সকাল রোদের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। এতে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এরমধ্যে থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের আবাস দিয়েছেন আবহাওয়া অফিস৷

আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় এটিই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এদিকে, তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোটাভাইরাস জনির কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগে হাসপাতালের আউটডোরে ২০০-৩০০ বয়োবৃদ্ধরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া প্রতিদিন ৩০০-৪০০ শিশু রোগী আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আসাদুর রহমান মালিক খোকন।

গ্রাম থেকে জেলা শহরে কাজের সন্ধানে আসা শ্রমিকরা জানান, ভোর থেকে বেলা ২-৩ টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। তবে ঠাণ্ডায় কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। আবার বাতাসের কারণে কাজ করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। 

আজিম উদ্দিন নামের এক কৃষক জানান, দীর্ঘদিন যাবত শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমা রোগী তিনি৷ কৃষি কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। সকালে ক্ষেতে কাজ করতে পারি না। ঠান্ডার মধ্যে কাজ করলে বেড়ে যায় শ্বাসকষ্ট। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবারো কাজ করতে হচ্ছে। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। 

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। মাসের শেষের দিকে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায়। ঘন কুয়াশা সাথে হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সকাল সকাল রোদের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। এতে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এরমধ্যে থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের আবাস দিয়েছেন আবহাওয়া অফিস৷

আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় এটিই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এদিকে, তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোটাভাইরাস জনির কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগে হাসপাতালের আউটডোরে ২০০-৩০০ বয়োবৃদ্ধরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া প্রতিদিন ৩০০-৪০০ শিশু রোগী আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আসাদুর রহমান মালিক খোকন।

গ্রাম থেকে জেলা শহরে কাজের সন্ধানে আসা শ্রমিকরা জানান, ভোর থেকে বেলা ২-৩ টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। তবে ঠাণ্ডায় কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। আবার বাতাসের কারণে কাজ করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। 

আজিম উদ্দিন নামের এক কৃষক জানান, দীর্ঘদিন যাবত শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমা রোগী তিনি৷ কৃষি কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। সকালে ক্ষেতে কাজ করতে পারি না। ঠান্ডার মধ্যে কাজ করলে বেড়ে যায় শ্বাসকষ্ট। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবারো কাজ করতে হচ্ছে। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। 

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। মাসের শেষের দিকে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।