০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন স্থাপন করলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের কলোনীপাড়া থেকে মুন্নামোড় পর্যন্ত দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ময়লার স্তূপ ও জনদুর্ভোগ নিরসনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কার এবং ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে তিনি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কলোনী পাড়া থেকে মুন্না মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়। এতে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছিল। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে স্থানীয়রা সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এরই প্রেক্ষিতে আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল এলাকাবাসীর বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন। পৌরসভার সহযোগিতায় সড়কের দুই পাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি কলোনি পাড়ার গাজীর মোড় ও ক্লাব মোড়ে দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা যায়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে দেখছি চুয়াডাঙ্গার এই অংশটিতে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। আজ পৌরসভার সহায়তায় রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার করা হয়েছে এবং দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান—যত্রতত্র ময়লা ফেলবেন না। নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেললে আমরা একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে পারব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, কনজারভেন্সি অফিসার জুবায়ের রহমান, কনজারভেন্সি সুপারভাইজার ওসমান গনি, আমার বাংলাদেশ পার্টির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন, জামায়াতের পৌর সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল, নায়েবে আমীর মাহবুব আশিক, সদ্য জামায়াতে যোগদানকারী এইচ এম মোস্তফা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিত তদারকি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এলাকায় স্থায়ীভাবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন স্থাপন করলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের কলোনীপাড়া থেকে মুন্নামোড় পর্যন্ত দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ময়লার স্তূপ ও জনদুর্ভোগ নিরসনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। নিজ হাতে রাস্তা পরিষ্কার এবং ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে তিনি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কলোনী পাড়া থেকে মুন্না মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়। এতে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছিল। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে স্থানীয়রা সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এরই প্রেক্ষিতে আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল এলাকাবাসীর বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন। পৌরসভার সহযোগিতায় সড়কের দুই পাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি কলোনি পাড়ার গাজীর মোড় ও ক্লাব মোড়ে দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা যায়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে দেখছি চুয়াডাঙ্গার এই অংশটিতে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। আজ পৌরসভার সহায়তায় রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার করা হয়েছে এবং দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান—যত্রতত্র ময়লা ফেলবেন না। নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেললে আমরা একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে পারব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, কনজারভেন্সি অফিসার জুবায়ের রহমান, কনজারভেন্সি সুপারভাইজার ওসমান গনি, আমার বাংলাদেশ পার্টির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন, জামায়াতের পৌর সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল, নায়েবে আমীর মাহবুব আশিক, সদ্য জামায়াতে যোগদানকারী এইচ এম মোস্তফা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিত তদারকি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এলাকায় স্থায়ীভাবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় থাকবে।