চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ শহরের তৃণমূল মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছেন।
এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বাদ এশা জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে পৌর এলাকার পোস্ট অফিসপাড়া, বাজারপাড়া, মুক্তিপাড়া ও শেখপাড়ার প্রায় পাঁচ শতাধিক বাসিন্দাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক মতবিনিময় সভা।
সভাস্থলে শুরু থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শহরের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পাড়ার সাধারণ মানুষ তাদের নানা নাগরিক সমস্যা, দৈনন্দিন ভোগান্তি, সেবা সংকট ও অর্থনৈতিক কষ্টের বিষয়গুলো প্রার্থীর সামনে খোলামেলা তুলে ধরেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, চুয়াডাঙ্গা শহর জেলার হৃদয়ভূমি। অথচ এখানে নাগরিক সুযোগ–সুবিধা আজও পিছিয়ে। আমি আপনাদের কাছে মিথ্যা স্বপ্ন দেখাতে আসিনি—এসেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে এই শহরের ভাগ্য বদলাতে।
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, ৩১ দফা কেবল গ্রাম নয়, এই শহরের ব্যবসায়ী, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত—সবার জন্য একটি গ্যারান্টি। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হবে, যাতে আপনাদের নাগরিক সেবার জন্য আর কারো কাছে যেতে না হয়।
তিনি আরও বলেন, আপনারা যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা যেন কোনোভাবেই বিফলে না যায়। আমাকে যদি সুযোগ দেন, আমি আপনাদের পাশে ছিলাম আছি এবং ইনশাআল্লাহ বিজয়ের পরও থাকব। শুধু একটি অনুরোধ, ধানের শীষকে বিজয়ী করুন, চুয়াডাঙ্গাকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব মডেল শহর উপহার দেওয়া হবে।
শহরের পানি সংকট, রাস্তার ভাঙাচোরা অবস্থা, ড্রেনেজ সমস্যা, বাজার ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা ঘাটতি, বিদ্যুৎ-সংকট ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ তুলে ধরেন।
শরীফুজ্জামান শরীফ প্রতিটি প্রশ্ন মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমাধানের রূপরেখা তুলে ধরেন।

মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা দোকান মালিক সমিতির সদস্য সচিব সুমন পারভেজ খান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মারুফ সরোয়ার বাবু, সেচ্ছাসেবক নেতা শাবৃু মিয়া, কালু শেখ, কামরুল, হাসান, মাবুদ, মিশাত, শরিফ, আকুবর, আনু, আকরাম, আসলাম, বাবুল, আব্দুর রব, বিদ্যুত, নিশান, শফিউদ্দীন, রোকন মিয়াসহ চারটি পাড়ার প্রায় পাঁচ শতাধিক বাসিন্দা।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















