জীবননগর পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মহানগর পশ্চিমপাড়ার গাজী জাহিদ হাসানের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ সাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জীবননগর পৌর এলাকার ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের মহানগর পশ্চিমপাড়ার নুর ইসলামের ছেলে গাজী জাহিদ বর্তমানে কোন পর্যায়ের কোন দায়িত্বে নেই। তার সাথে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই। তার কোন ধরনের কর্মকান্ডের দায় দল বহন করবে না।
এছাড়া দলের সকল নেতা, কর্মী, স্থানীয় সম্মানিত এলাকাবাসী ও প্রশাসনকে অবহিত করা হলো বলে বিজ্ঞপ্তিতে আনানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, চাঁদা দাবি, মারধরসহ নানান অভিযোগ রয়েছে গাজী জাহিদের বিরুদ্ধে। জীবননগর মিনি অটোর স্বত্ত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম করিম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. শ্যামলী পারভীনকে জোর করে অফিসে আটকে রেখে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া যায়।
চাঁদার টাকা না দেওয়ায় ৩০ লাখ টাকা কাবিন করে ফের এই দম্পতির বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে উপজেলার নারায়ণপুরের গাজী জাহিদ, জীবননগর পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পল্টু মন্ডল, আরজ আলী, হাবিবুর রহমান সজলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
এছাড়া, সম্প্রতি, প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকা অবস্থান করা নিয়ে প্রেমিককে বেধড়ক মারপিট করেন গাজী জাহিদসহ তার সহযোগিরা৷ এ ঘটনায় আহত হয়ে সেই যুবক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এমনটি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























