০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ২৫ সনাতন পরিবারকে খাসি উপহার দিলেন ছাত্রদল নেতা খন্দকার রিজন

Ada. Munna Telecom1

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বী ২৫টি পরিবারের মাঝে খাসি ছাগল উপহার দিয়েছেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ছাত্রদল নেতা খন্দকার রিজন হোসেন। ঈদের আনন্দ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঈদকে সকলের উৎসব হিসেবে বিবেচনা করে খন্দকার রিজন হোসেন নিজ উদ্যোগে এসব পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় স্থানীয়দের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপহার পেয়ে অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতি সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে।

খন্দকার রিজন হোসেন বলেন, “মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঈদ আনন্দ শুধু একটি ধর্মের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।”

তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতেও এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”

শেষে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ২৫ সনাতন পরিবারকে খাসি উপহার দিলেন ছাত্রদল নেতা খন্দকার রিজন

প্রকাশের সময় : ০৮:২১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বী ২৫টি পরিবারের মাঝে খাসি ছাগল উপহার দিয়েছেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ছাত্রদল নেতা খন্দকার রিজন হোসেন। ঈদের আনন্দ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঈদকে সকলের উৎসব হিসেবে বিবেচনা করে খন্দকার রিজন হোসেন নিজ উদ্যোগে এসব পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় স্থানীয়দের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপহার পেয়ে অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতি সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে।

খন্দকার রিজন হোসেন বলেন, “মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঈদ আনন্দ শুধু একটি ধর্মের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।”

তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতেও এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”

শেষে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।