০১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে নারীর ছিন্নভিন্ন মরদেহ, পরিচয় রহস্যে পুলিশ

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুলচারাস্থ এলাকায় রেললাইনের ওপর থেকে অজ্ঞাত এক নারীর ছিন্নভিন্ন মরদেহের কয়েকটি অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রেললাইন পরিদর্শনের সময় শ্রমিকরা মরদেহের টুকরো দেখতে পেয়ে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারকে খবর দেন। পরে রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের অংশগুলো উদ্ধার করে।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত যেকোনো সময় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত নারীর মাথা শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ছিল। কোমর থেকে নিচের অংশও আলাদা অবস্থায় পাওয়া যায়। শরীরের বিভিন্ন অংশ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জায়গায় ছিন্নভিন্ন হয়ে রেললাইনের আশপাশে ছড়িয়ে ছিল। এমনকি হাতের আঙুলগুলোও ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পাওয়া গেছে— যা বন্যপ্রাণী টেনে নিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নারীর পরিচয় শনাক্তে ঝিনাইদহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে জানানো হয়েছিল। তবে তারা পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে বিনা ময়নাতদন্তে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করছে।”

ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে এসআই জগদীশ চন্দ্র রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে। বলেন, “মুখমণ্ডল দেখে মনে হচ্ছে তিনি বয়স্ক। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো ভিক্ষুক বা মানসিক ভারসাম্যহীন কেউ ছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশে কোনো বসতি নেই। মরদেহের টুকরোগুলোও আলাদা আলাদা স্থানে পড়ে ছিল।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী শাহরিয়ারের যোগদান

চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনে নারীর ছিন্নভিন্ন মরদেহ, পরিচয় রহস্যে পুলিশ

প্রকাশের সময় : ০৬:২০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুলচারাস্থ এলাকায় রেললাইনের ওপর থেকে অজ্ঞাত এক নারীর ছিন্নভিন্ন মরদেহের কয়েকটি অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রেললাইন পরিদর্শনের সময় শ্রমিকরা মরদেহের টুকরো দেখতে পেয়ে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারকে খবর দেন। পরে রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের অংশগুলো উদ্ধার করে।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত যেকোনো সময় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত নারীর মাথা শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ছিল। কোমর থেকে নিচের অংশও আলাদা অবস্থায় পাওয়া যায়। শরীরের বিভিন্ন অংশ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জায়গায় ছিন্নভিন্ন হয়ে রেললাইনের আশপাশে ছড়িয়ে ছিল। এমনকি হাতের আঙুলগুলোও ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পাওয়া গেছে— যা বন্যপ্রাণী টেনে নিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নারীর পরিচয় শনাক্তে ঝিনাইদহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে জানানো হয়েছিল। তবে তারা পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে বিনা ময়নাতদন্তে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করছে।”

ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে এসআই জগদীশ চন্দ্র রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে। বলেন, “মুখমণ্ডল দেখে মনে হচ্ছে তিনি বয়স্ক। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো ভিক্ষুক বা মানসিক ভারসাম্যহীন কেউ ছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশে কোনো বসতি নেই। মরদেহের টুকরোগুলোও আলাদা আলাদা স্থানে পড়ে ছিল।”