১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় মায়ের অসাবধানতায় গলায় ট্যাবলেট আটকে দেড় বছরের শিশুর মৃ ত্যু

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নূরনগর গ্রামে মায়ের অসাবধানতায় গলায় ওষুধ আটকে দেড় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু জান্নাতুল সদর উপজেলার নূরনগর গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিল জান্নাতুল। বিকেলে তার মা রেশমা খাতুন স্থানীয় একটি দোকান থেকে ‘মেট্রিল’ নামের ট্যাবলেট কিনে শিশুটিকে খাওয়ান। ট্যাবলেটটি খাওয়ানোর পরপরই তা শিশুটির গলায় আটকে যায়। এতে সে শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা জালাল উদ্দিন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ডায়রিয়ার কারণে ওষুধ খাওয়ানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে এবং গলায় ট্যাবলেট আটকে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলে আমার মেয়ে আর নেই।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অসচেতনতার কারণেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় মায়ের অসাবধানতায় গলায় ট্যাবলেট আটকে দেড় বছরের শিশুর মৃ ত্যু

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নূরনগর গ্রামে মায়ের অসাবধানতায় গলায় ওষুধ আটকে দেড় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু জান্নাতুল সদর উপজেলার নূরনগর গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিল জান্নাতুল। বিকেলে তার মা রেশমা খাতুন স্থানীয় একটি দোকান থেকে ‘মেট্রিল’ নামের ট্যাবলেট কিনে শিশুটিকে খাওয়ান। ট্যাবলেটটি খাওয়ানোর পরপরই তা শিশুটির গলায় আটকে যায়। এতে সে শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা জালাল উদ্দিন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ডায়রিয়ার কারণে ওষুধ খাওয়ানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে এবং গলায় ট্যাবলেট আটকে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলে আমার মেয়ে আর নেই।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অসচেতনতার কারণেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।