চুয়াডাঙ্গা সদরের কিরণগাছিতে দ্রুতগতির ইজিবাইকের ধাক্কায় মাছুরা খাতুন (৩০) নামের এক তিন সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে আহত অবস্থায় মাছুরা খাতুনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কিছুক্ষন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত মাছুরা খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কালুপোল গ্রামের মাঝেরপাড়ার আজম আলীর স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিরণগাছি গ্রামের কপিহাউজের পাশ দিয়ে শিশু সন্তানকে নিয়ে পায়ে হেটে যাচ্ছিলেন মাছুরা খাতুন। এ সময় দ্রুতগতির একটি ইজিবাইক তাকে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মাছুরা খাতুন ছিটকে ইজিবাইকের চাকা পেটের উপর দিয়ে চলে যায়। আর কোলে থাকা শিশু অরক্ষিত থাকে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার পর ইজিবাইকের চালক পালিয়ে গেলেও ইজিবাইকটি জব্দ করেছে স্থানীয়রা।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা জানান, কিরণগাছিতে বোনের বাড়িতে ডিম নিতে গিয়েছিলেন মাছুরাসহ কয়েকজন। ফেরার সময় রাস্তার এক পাশ দিয়ে হেটে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ পিছন থেকে একটি দ্রুতগতির একটি ইজিবাইক মাছুরাকে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ছিটকে পাকা রাস্তার উপর পড়লে ইজিবাইকের চাকা মাছুরা পেটের উপর দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় মাছুরাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক রাজশাহী রেফার্ড করেন। কিছুক্ষন পর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাছুরার মৃত্যু হয়।
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, পেটের উপর দিয়ে চাকা চলে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। তবে রাজশাহী যাবার প্রস্তুতিকালে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ইজিবাইকের ধাক্কায় একজন নারীর মৃত্যুর ঘটনা জেনেছি। ঘটনাটি ঘটেছে দর্শনা থানাধীন এলাকার মধ্যে। মরদেহ বর্তমানে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মামলা হবে কিনা দর্শনা থানা পুলিশের নিকট জানতে চেয়েছি। এরপরই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এএইচ
অর্ণব আহমেদ আশিক 























