চুয়াডাঙ্গা শহরের বড়বাজারে (নিচের বাজার) তুচ্ছ ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে সোহেল নামের এক ভুড়ি ও গরুর মাথা ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। এছাড়া এই মারামারিতে গরুর মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনও আহত হয়েছেন। দুজনই সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন৷
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিচের বাজারে মাংস পট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ সংবাদকর্মীদের নিকট পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন৷
আহত সোহেল (৩১) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ইসলামপাড়ার মৃত. সাদা মিয়ার ছেলে। এবং আহত ইসমাইল হোসেন (৪৫) পৌর এলাকার জ্বিনতলা মল্লিকপাড়ার শাহাবুদ্দিনের ছেলে।
আহত গরুর মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, নিচের বাজারে মাংস পট্টির ৩ নং দোকানে গরুর মাংস বিক্রি করি। সোহেল আমার পাশেই ভুড়ি ও গরুর মাথা বিক্রি করতো। প্রায় ৬-৭ মাস না আসায় পাশের জায়গায়টি ফাকা অবস্থায় ছিল৷ আজ আমার ছেলে ইয়াছিন এই ফাকা স্থানে ভুড়ি ও গরুর মাথা বিক্রি করছিল। এ নিয়ে সোহেলের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে সোহেল আমাকে কলার চেপে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এতে আমার নাক-মুখ ও চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে হাসপাতাল থেকে প্রাথ চিকিৎসা নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমার নিকট গরু কেনার সাত লাখ টাকা ছিল৷ পাঁচ লাখ টাকা পাচ্ছিনা। বাকি দুই লাখ টাকা আমার কাছে রয়েছে। এ ঘটনায় আমি আইনের আশ্রয় নেব৷
আহত সোহেলের ভাই রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের নিকট সোহ্বল টাকা পায়। এই পাওনা টাকা চাওয়ায় দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়৷ একপর্যায়ে ইসমাইলের ছেলে ইয়াসিন সোহেলের হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে সোহেল রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল থেকে ক্ষতস্থানে সেলাই দেয়া হয়েছে। মামলার জন্য প্রস্তুতি চলছে।
চুয়াডাঙ্গায় সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, সোহেলের হাতে একটি অংশে ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছে৷ সেখানে দুটি সেলাই দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইসমাইলের শরীরের আঘাতের চিহৃ ছিল। দুজনই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, মারামারির ঘটনাটি জেনেছি। আহত ব্যক্তিকে থানায় এসে অভিযোগ বা মামলার জন্য বলা হয়েছে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 























