চুয়াডাঙ্গায় একই দিনে পৃথকস্থানে শিশুসহ দুজন পানিতে ডুবে মারা গেছে। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার এক নারী ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক শিশু।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) পৃথকস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাজরাহাটি গ্রামের কালু মণ্ডলের ছেলে ছাবিব হোসেন (০৭) তার মায়ের সঙ্গে নানা বাড়ি আলমডাঙ্গার নাগদাহ গ্রামে বেড়াতে যায়। মঙ্গলবার দুপুরে নানা বাড়ির পাশেই ক্যানালে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে গোসল করতে যায় ছাবিব হোসেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম ছরোয়ার এবং প্রতিবেশি আব্দুর রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, বাচ্চারা সবাই ব্রিজের উপর থেকে পানিতে লাফ দিচ্ছিল৷ এ সময় কোন কারণে পানিতে ডুবে যায় শিশু ছাবিব। হয়তো ব্রিজের উপর দিয়ে লাফ দেয়ার কারণে বুক বা শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের কারণে ডুবে যেতে পারে৷ পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ছাবিবকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, বিয়ের ২৫ বছর পর শিশু ছাবিবের জন্ম হয়। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা যেন প্রাগল প্রায়৷ এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গতকালই মরদেহ হাজরাহাটিতে নেয়া হয়। সেখানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ফিরোজা বেগম (৫০) নামের এক নারী পানিতে ডুবে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বেলা আড়াইটার দিকে গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে যান তিনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নস্থানে খোজাখুজি করতে থাকেন। পরবর্তীতে ফিরোজা বেগন মরদেহ নদীতে ভেসে উঠলে স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহত ফিরোজা বেগম বোয়ালিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত. নূর ইসলামের মেয়ে এবং তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন।
স্থানীয় সিন্দুরিয়া ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহীদুল ইসলাম শহীদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে বলেন, শুনেছি পানিতে ডুবে একজন নারী মারা গেছে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















