চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেছেন, ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নাই। আগে জাতীয় নির্বাচন হবে। চেয়ারম্যান-মেম্বার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের ভিতরে কোন দলাদলি বা গ্রুপিং করা যাবে না। কেউ যদি মনে করেন যে আমি চেয়ারম্যান ভোট করব আমি লোক গোছাবো, এটা করতে গেলে সে বিপদে পড়বেন। আর এখানে এসে বলছি (দীননাথপুর স্কুল মাঠ) আমি আনেক জায়গায় বলেছি, আজকেও বলে যাচ্ছি ‘আমার পিছনে ঘুরে কিংবা জেলার কোন নেতাকে কনভেন্স করে কেউ চেয়ারম্যান মনোনয়ন পাবেন না’। যারা মনে করছেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আমার নির্বাচনী এলাকার আমি যতক্ষণ পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছি ততক্ষণ পর্যন্ত এই প্র্যাক্টিস করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি ইউনিয়নের ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির মতামতের ভিত্তিতে সেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী দেয়া হবে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ছাত্র সমাজ ও ছাত্রদলের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দীননাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজিব সারোয়ারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু, শফিকুল ইসলাম পিটু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য নুরনবী ছামদানী ও মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরগনী।
প্রধান অতিথি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, আমার মনে হয় যে ২৮ শে অক্টোবরের থেকেও এখন বর্তমানে বিএনপির সবথেকে দুংসময়। এতো লোক বিএনপিতে আমরা দেখি নাই। এতো লোক আন্দোলন সংগ্রামে ছিল না। আজকে বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্নভাবে এই দলের মধ্যে লোক প্রবেশ করে এই দলকে ধ্বংস করার জন্য সুচিত্র পরিকল্পনা আকছে। এই পরিকল্পনা যদি আমরা রুখতে না পারি আগামী দিনে আমাদের কোন ভবিষ্যত নাই। সেই পরিকল্পনা রুখলে হলে আমাদের যারা জাতীয়তাবাদী দলে বিশ্বাসী, জাতীয়তাবাদী দলের জন্য যাদের ত্যাগ আছে, যারা নির্যাতিত-নিপিড়ীত হয়েছেন, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাধে কাধ মিলিয়ে আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর আমাদের দল সরকার গঠন করার পর আপনি দলবাজি করবেন। তার আগে দলবাজি করার যদি কেউ দুংসাহস দেখান সেটাও দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আজিজের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা বিএনপির সদস্য ইলিয়াস হোসেন, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানু, হাউলি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার মন্ডল, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হানেফ মিয়া, জেলা কৃষক দলের সদস্য আশাদুল হক, সাবেক থানা যুবদলের
সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহমুদ, জেলা ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম মাষ্টার, ইউনিয়ন যুবদলের ইমরান মাহমুদ, ওয়ার্ড বিএনপির ফজলুর রহমান, আঃ জলিল, বিল্লাল হোসেন, আয়নাল হোসেন, সেলিম রানা, আনোয়র হোসেন, জুবায়ের হাসান, মোশাররফ করিম, আজিজুল হক আশিক।
এছাড়াও সহযোগিতায় ছিলেন, তরিকুল, রাকিব, আরমান, হামিদুল, নুর করিম, জুয়েল, রফিক, বখতিয়ার, হাসান, সাকিব, রিয়াদ প্রমূখ।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সজিব উদ্দিন 
























