চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর এলাকায় একাধিক বড় কড়ই গাছের শুকনা ও ঝুঁকিপূর্ণ ডাল নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় এসব শুকনা ডাল ভেঙে ব্যস্ত সড়কের ওপর পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ডাল অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক বড় কড়ই গাছের বেশ কিছু ডাল শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়কের পাশে থাকা এসব শুকনা ডাল যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও এখনো তা অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
ব্যস্ত এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন ও পথচারী চলাচল করেন। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ শুকনা ডালগুলো ভেঙে সড়কের ওপর পড়লে মুহূর্তেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রবল বাতাসের সময় এ ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছগুলোর বেশ কিছু বড় ডাল দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে রয়েছে। এসব ডাল বর্তমানে এমন অবস্থায় রয়েছে যে, সামান্য ঝড়ো বাতাসেও সেগুলো ভেঙে সড়কে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যস্ত সড়কে যান চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও ঝুঁকিপূর্ণ ডালগুলো অপসারণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের দাবি, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন, জেলা যুবদল নেতা জহুরুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান সুমন দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ শুকনা ডালগুলো অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেন, গাছের শুকনা ডালগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ঘটনাস্থল তদন্ত করে ঝুঁকিপূর্ণ ডালগুলো অপসারণের ব্যবস্থা করা।
তাদের দাবি, ব্যস্ত সড়কের পাশে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ডাল দীর্ঘদিন ফেলে রাখা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
এলাকাবাসীর দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আর দেরি না করে ঝুঁকিপূর্ণ শুকনা ডালগুলো অপসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হবে।
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 





















