০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনার সেই ইটভাটা থেকে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও ইট নেয়াদের নাম প্রকাশ করলেন ভুক্তভোগীরা

দামুড়হুদার দুধপাতিলার আলোচিত যমুনা ইটভাটা থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নেয়ার ঘটনায় তাদের নাম প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ভাটামালিকের ভাগ্নে আব্দুর রাজ্জাক, ট্রাক্টর ড্রাইভার মঙ্গলসহ স্থানীয়রা সেই কতিপয় যুবদলের নেতাকর্মীদের নাম প্রকাশ করেছেন।

আজ সোমবার (২৮ জুলাই) চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

দৈনিক মাথাভাঙ্গার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাটা মালিক মোস্তাফিজুর রহমানের ভাগ্নে আব্দুর রাজ্জাক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের নেতা পরিচয় দিয়ে আজিজুল, শিপুল, সুমন, জাহিন ও দর্শনা থানা যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে সামাউল, পৌর ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে জাকির ট্রাক্টর ভর্তি ইট নেন। ভাটা থেকে ইট নিয়ে কাতলামারী মাঠে পৌছালে উল্লেখিত অভিযুক্তরা ইট বোঝায় ট্রাক্টরটি আবার ভাটায় ফিরিয়ে নিয়ে নগদ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ উঠে লক্ষাধিক টাকা না দিলে যমুনা ভাটা থেকে ইট তুলতে দেয়া হবে না। এই গ্রামের ছেলে যুবদল সমর্থক সাগর মামার সহযোগিতায় টাকা পয়সা মিটিয়ে দিয়েছি। এখনো কিছু টাকা দাবি করছে।

আরও পড়ুন

দর্শনায় যমুনা ইটভাটা থেকে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নিলো কারা?

এ বিষয়ে দুধপতিলা গ্রামের যুবদল সমর্থক সাগর বলেন, আমার গ্রাম যেহেতু এটা, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল ভাটায় চলে আসি এবং আমার নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে যুবদল নেতাকর্মীদের সাথে ঝামেলা মিটিয়ে দিই।

এদিকে, দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. জালাল উদ্দীন এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় জেলা যুবদলের দামুড়হুদার দুধপালিতার যমুনা ইটভাটার ঘটনা ভিন্নদিকে মোড়, জেলা যুবদলের নাম করে নগদ টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নিলো কারা, শিরোনামে প্রকাশিত সঠিক নয়। তিনি উল্লেখ্য করেন তদন্তমতে দর্শনা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির কোনো নেতা-কর্মীরা উক্ত কাজের সহিত সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়নি। আমি এই মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তি এবং তাদের নাম প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছি। তদন্তে যদি কোনো নেতা-কর্মী দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

দর্শনায় মাদক সেবনের দায়ে দুজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ২ হাজার

দর্শনার সেই ইটভাটা থেকে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও ইট নেয়াদের নাম প্রকাশ করলেন ভুক্তভোগীরা

প্রকাশের সময় : ০১:৩৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

দামুড়হুদার দুধপাতিলার আলোচিত যমুনা ইটভাটা থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নেয়ার ঘটনায় তাদের নাম প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ভাটামালিকের ভাগ্নে আব্দুর রাজ্জাক, ট্রাক্টর ড্রাইভার মঙ্গলসহ স্থানীয়রা সেই কতিপয় যুবদলের নেতাকর্মীদের নাম প্রকাশ করেছেন।

আজ সোমবার (২৮ জুলাই) চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

দৈনিক মাথাভাঙ্গার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাটা মালিক মোস্তাফিজুর রহমানের ভাগ্নে আব্দুর রাজ্জাক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের নেতা পরিচয় দিয়ে আজিজুল, শিপুল, সুমন, জাহিন ও দর্শনা থানা যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে সামাউল, পৌর ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে জাকির ট্রাক্টর ভর্তি ইট নেন। ভাটা থেকে ইট নিয়ে কাতলামারী মাঠে পৌছালে উল্লেখিত অভিযুক্তরা ইট বোঝায় ট্রাক্টরটি আবার ভাটায় ফিরিয়ে নিয়ে নগদ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ উঠে লক্ষাধিক টাকা না দিলে যমুনা ভাটা থেকে ইট তুলতে দেয়া হবে না। এই গ্রামের ছেলে যুবদল সমর্থক সাগর মামার সহযোগিতায় টাকা পয়সা মিটিয়ে দিয়েছি। এখনো কিছু টাকা দাবি করছে।

আরও পড়ুন

দর্শনায় যমুনা ইটভাটা থেকে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নিলো কারা?

এ বিষয়ে দুধপতিলা গ্রামের যুবদল সমর্থক সাগর বলেন, আমার গ্রাম যেহেতু এটা, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল ভাটায় চলে আসি এবং আমার নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে যুবদল নেতাকর্মীদের সাথে ঝামেলা মিটিয়ে দিই।

এদিকে, দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. জালাল উদ্দীন এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় জেলা যুবদলের দামুড়হুদার দুধপালিতার যমুনা ইটভাটার ঘটনা ভিন্নদিকে মোড়, জেলা যুবদলের নাম করে নগদ টাকা ও এক ট্রাক্টর ইট নিলো কারা, শিরোনামে প্রকাশিত সঠিক নয়। তিনি উল্লেখ্য করেন তদন্তমতে দর্শনা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির কোনো নেতা-কর্মীরা উক্ত কাজের সহিত সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়নি। আমি এই মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তি এবং তাদের নাম প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছি। তদন্তে যদি কোনো নেতা-কর্মী দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।