০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশাখের আনন্দে মেতেছে জীবননগর, খয়েরহুদায় স্কুল প্রাঙ্গণে জমজমাট মেলা

  • জীবননগর অফিস
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১ Views
Ada. Munna Telecom1

পুরোনো বছর ১৪৩২-কে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার খয়েরহুদা হাই স্কুল প্রাঙ্গণে বসেছে বর্ণিল বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত এ মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য ও বাঙালির সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা।

মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখা যায়, নানা ধরনের মাটির পুতুল, বাঁশি, ঘুড়ি ও ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। পাশাপাশি জিলাপি, কদমা ও বিভিন্ন মুখরোচক লোকজ খাবারের দোকানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শিশু-কিশোরদের আনন্দ দিতে মেলায় রাখা হয়েছে নাগরদোলা, যা ঘিরে ছিল বাড়তি উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।\

এছাড়া মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বাউল গান, লোকসংগীত ও পুতুলনাচসহ গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা। দিনভর এসব আয়োজন উপভোগ করতে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও মুখরিত।

স্থানীয়রা জানান, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করেই এমন আয়োজন প্রতি বছর তাদের মাঝে নতুন আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এই উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরের সূচনায় সব ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন সবাই।

সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠা এ বৈশাখী মেলা যেন বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

বৈশাখের আনন্দে মেতেছে জীবননগর, খয়েরহুদায় স্কুল প্রাঙ্গণে জমজমাট মেলা

প্রকাশের সময় : ০১:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পুরোনো বছর ১৪৩২-কে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার খয়েরহুদা হাই স্কুল প্রাঙ্গণে বসেছে বর্ণিল বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত এ মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য ও বাঙালির সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা।

মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখা যায়, নানা ধরনের মাটির পুতুল, বাঁশি, ঘুড়ি ও ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। পাশাপাশি জিলাপি, কদমা ও বিভিন্ন মুখরোচক লোকজ খাবারের দোকানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শিশু-কিশোরদের আনন্দ দিতে মেলায় রাখা হয়েছে নাগরদোলা, যা ঘিরে ছিল বাড়তি উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।\

এছাড়া মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বাউল গান, লোকসংগীত ও পুতুলনাচসহ গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা। দিনভর এসব আয়োজন উপভোগ করতে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও মুখরিত।

স্থানীয়রা জানান, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করেই এমন আয়োজন প্রতি বছর তাদের মাঝে নতুন আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এই উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরের সূচনায় সব ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন সবাই।

সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠা এ বৈশাখী মেলা যেন বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।