০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ থেকে কাপড়-পাট-সুতার পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

Ada. Munna Telecom1

নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বোনা কাপড়, পাট ও সুতার পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত।

শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, “ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানি হবে না। শুধুমাত্র নাহভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে নির্দিষ্ট এসব পণ্য আমদানি করা যাবে। যারমধ্যে রয়েছে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা, পাটের একক সুতা, ব্লিচ না করা পাটের বোনা কাপড়।”

এর আগে, গত মে মাসে নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। ওই সময় এই পণ্য শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা এবং কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানির সুযোগ রেখেছিল দেশটি। বাংলাদেশ ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। স্থলবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে যেসব পণ্য যাবে সেগুলোর ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। কিন্তু এসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না।

সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের মুখে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ আচরণ শুরু করে। এছাড়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ ছাড়াও অন্যান্য আরও অভিযোগ আনে তারা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

বাংলাদেশ থেকে কাপড়-পাট-সুতার পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বোনা কাপড়, পাট ও সুতার পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত।

শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, “ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানি হবে না। শুধুমাত্র নাহভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে নির্দিষ্ট এসব পণ্য আমদানি করা যাবে। যারমধ্যে রয়েছে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা, পাটের একক সুতা, ব্লিচ না করা পাটের বোনা কাপড়।”

এর আগে, গত মে মাসে নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। ওই সময় এই পণ্য শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা এবং কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানির সুযোগ রেখেছিল দেশটি। বাংলাদেশ ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। স্থলবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে যেসব পণ্য যাবে সেগুলোর ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। কিন্তু এসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না।

সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের মুখে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ আচরণ শুরু করে। এছাড়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ ছাড়াও অন্যান্য আরও অভিযোগ আনে তারা।