০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নামে জন্ম নিবন্ধন

Ada. Munna Telecom1

ইউনিয়ন পরিষদের দেওয়া জন্মনিবন্ধন সনদে দেখা গেছে, নাম জাস্টিন ট্রুডো, পিতা পিয়েরে ট্রুডো, মাতা মার্গারেট ট্রুডো। এটা কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পরিচয়। তার নামে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়েছে পাবনার আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, গত বছরের শেষের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া মারা যান। এরপর থেকে এক মেম্বার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকলেও মূলত দায়িত্ব ছিল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আওলাদ হাসানের হাতে। তার ছত্রছায়ায় ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর নিলয় হোসেন টাকার বিনিময়ে যার তার নামে জন্মনিবন্ধন দিতেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই ইউনিয়ন পরিষদে অনেক কিছুই সম্ভব।

এ বিষয়ে জানতে কম্পিউটার অপারেটর নিলয় হোসেনকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। তবে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আওলাদ হাসান বলেন, আমি এসব ঘটনায় কিছুই জানি না। সার্ভারের ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড আমার কাছে থাকলেও নিলয় হয়তো কোনো সময়ে জেনে গেছে। আমার অগোচরে সে ওটিপি কোড নিয়ে এসব করেছে। এই ঘটনায় আমি দায়ী নই।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুখময় সরকার। তিনি বলেন, এটা হয়তো কেউ হ্যাকড করে করেছে। বিষয়টি তদন্তধীন আছে। তদন্ত করে আসল বিষয়টি জানা যাবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

পাবনায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নামে জন্ম নিবন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪

ইউনিয়ন পরিষদের দেওয়া জন্মনিবন্ধন সনদে দেখা গেছে, নাম জাস্টিন ট্রুডো, পিতা পিয়েরে ট্রুডো, মাতা মার্গারেট ট্রুডো। এটা কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পরিচয়। তার নামে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়েছে পাবনার আহম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, গত বছরের শেষের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া মারা যান। এরপর থেকে এক মেম্বার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকলেও মূলত দায়িত্ব ছিল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আওলাদ হাসানের হাতে। তার ছত্রছায়ায় ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর নিলয় হোসেন টাকার বিনিময়ে যার তার নামে জন্মনিবন্ধন দিতেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই ইউনিয়ন পরিষদে অনেক কিছুই সম্ভব।

এ বিষয়ে জানতে কম্পিউটার অপারেটর নিলয় হোসেনকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। তবে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আওলাদ হাসান বলেন, আমি এসব ঘটনায় কিছুই জানি না। সার্ভারের ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড আমার কাছে থাকলেও নিলয় হয়তো কোনো সময়ে জেনে গেছে। আমার অগোচরে সে ওটিপি কোড নিয়ে এসব করেছে। এই ঘটনায় আমি দায়ী নই।

বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুখময় সরকার। তিনি বলেন, এটা হয়তো কেউ হ্যাকড করে করেছে। বিষয়টি তদন্তধীন আছে। তদন্ত করে আসল বিষয়টি জানা যাবে।