০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবননগরে রাখাল শাহের ৩৯তম ওরশ ও মেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

  • জীবননগর অফিস
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১২ Views

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আলীপুরে হযরত রাখাল শাহের ৩৯তম ওরশ ও মেলা ঘিরে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সাধুসঙ্গ ও আধ্যাত্মিক সংগীতের পাশাপাশি এবারও থাকছে বাউল গান ও লোকজ বিনোদনের নানা আয়োজন।

প্রতি বছর ১৫ ভাদ্র আলীপুর গ্রামের মাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী রাখাল শাহের ওরশ ও মেলা। এ উপলক্ষে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্ত, অনুসারী ও দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। জিকির-আজগার, ইবাদত ও সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাজার প্রাঙ্গণ।

আয়োজকরা জানান, এবারের ওরশকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জন্য তবারক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য দুটি গরু জবাই করা হবে।

ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি মেলাকে ঘিরে থাকছে লোকজ সংস্কৃতির নানা আয়োজন। ঢাকার বাউলশিল্পী মুন্নি সরকার ও তাঁর দলের পরিবেশনায় মেতে উঠবে মেলা প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য থাকছে নাগরদোলা ও মৃত্যুকূপসহ বিভিন্ন আয়োজন।

বিপুল মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন। মাদকসহ যেকোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে থাকবে কঠোর নজরদারি।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় আবহ, সাধুসঙ্গ ও লোকজ ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে ১৫ ভাদ্রের রাখাল শাহের ওরশ ও মেলা এবারও পরিণত হবে বৃহৎ এক মিলনমেলায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

সাইনবোর্ডে লেখা ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’, ভেতরে মিললো ক ন ড মে র কারখানা

জীবননগরে রাখাল শাহের ৩৯তম ওরশ ও মেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

প্রকাশের সময় : ১১:৩২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আলীপুরে হযরত রাখাল শাহের ৩৯তম ওরশ ও মেলা ঘিরে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সাধুসঙ্গ ও আধ্যাত্মিক সংগীতের পাশাপাশি এবারও থাকছে বাউল গান ও লোকজ বিনোদনের নানা আয়োজন।

প্রতি বছর ১৫ ভাদ্র আলীপুর গ্রামের মাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী রাখাল শাহের ওরশ ও মেলা। এ উপলক্ষে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্ত, অনুসারী ও দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। জিকির-আজগার, ইবাদত ও সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাজার প্রাঙ্গণ।

আয়োজকরা জানান, এবারের ওরশকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জন্য তবারক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য দুটি গরু জবাই করা হবে।

ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি মেলাকে ঘিরে থাকছে লোকজ সংস্কৃতির নানা আয়োজন। ঢাকার বাউলশিল্পী মুন্নি সরকার ও তাঁর দলের পরিবেশনায় মেতে উঠবে মেলা প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য থাকছে নাগরদোলা ও মৃত্যুকূপসহ বিভিন্ন আয়োজন।

বিপুল মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন। মাদকসহ যেকোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে থাকবে কঠোর নজরদারি।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় আবহ, সাধুসঙ্গ ও লোকজ ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে ১৫ ভাদ্রের রাখাল শাহের ওরশ ও মেলা এবারও পরিণত হবে বৃহৎ এক মিলনমেলায়।