০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার তালতলায় ভাই-বোনকে পিটিয়ে জখম

Ada. Munna Telecom1

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলায় ভাই এবং বোনকে বেধড়ক পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের কুঠিরপাড়ার মৃত. জাকের হোসেনের ছেলে আশানুর হোসেন (২৮) ও তার বোন রেকসোনা খাতুন (২৫)।

আহত আশানুর বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার আমার ছোট বোন রেকসানাকে তার স্বামী মানিক মারধর করছিলো। খবর পেয়ে আমি সেখানে যায় এবং মারধরের প্রতিবাদ করলে উলটো আমার পেটে শাবল ঢুকিয়ে দিতে যায় ছোট দুলাভাই মানিক। পরে আমি আমার বোনকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আজ শুক্রবার আমার বড় দুলাভাই এসেছিলেন মীমাংসা করতে। আমরা সবাই বসে কথা বলছিলাম। এ সময় আমার ছোট দুলাভাই মানিক অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে। তাকে গালি দিতে মানা করা হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার হাতে থাকা টর্চ লাইট দিয়ে আমাকে ও আমার বোনকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এতে আমরা গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আল-ইমরান জুয়েল বলেন, আশানুরের ক্ষতস্থানে একটি সেলাই ও রেকসোনার তিনটি সেলাই প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে লুকানো ছিল ১০০০ লিটার ডিজেল: ১৫ দিনের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার তালতলায় ভাই-বোনকে পিটিয়ে জখম

প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলায় ভাই এবং বোনকে বেধড়ক পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের কুঠিরপাড়ার মৃত. জাকের হোসেনের ছেলে আশানুর হোসেন (২৮) ও তার বোন রেকসোনা খাতুন (২৫)।

আহত আশানুর বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার আমার ছোট বোন রেকসানাকে তার স্বামী মানিক মারধর করছিলো। খবর পেয়ে আমি সেখানে যায় এবং মারধরের প্রতিবাদ করলে উলটো আমার পেটে শাবল ঢুকিয়ে দিতে যায় ছোট দুলাভাই মানিক। পরে আমি আমার বোনকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আজ শুক্রবার আমার বড় দুলাভাই এসেছিলেন মীমাংসা করতে। আমরা সবাই বসে কথা বলছিলাম। এ সময় আমার ছোট দুলাভাই মানিক অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে। তাকে গালি দিতে মানা করা হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার হাতে থাকা টর্চ লাইট দিয়ে আমাকে ও আমার বোনকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এতে আমরা গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আল-ইমরান জুয়েল বলেন, আশানুরের ক্ষতস্থানে একটি সেলাই ও রেকসোনার তিনটি সেলাই প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।