ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চুয়াডাঙ্গায় তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সদর চুয়াডাঙ্গা শহরের সদর হাসপাতাল রোড ও বড় বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার সজীব পাল, পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।

অভিযানে স্বাস্থ্য সনদ না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত করার দায়ে জনাব মো. রতন বিশ্বাসের মালিকানাধীন হোটেল মুসলিম ফুডকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধের পাশাপাশি খাদ্যে কাঁচা চামড়ায় ব্যবহৃত লবণ ব্যবহারের অভিযোগে জনাব মো. রনি আলমের মেসার্স হোটেল কুটুম বাড়ি খাওয়া ঘরকে আরও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া খাদ্যে জাফর রং হিসেবে কাপড়ের রং ব্যবহার এবং নিষিদ্ধ কেওড়া জল বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় শ্রী গৌরচন্দ্র বসুর মালিকানাধীন মেসার্স গৌতম স্টোরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও কয়েকটি খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর পরিদর্শন করেন। এ সময় ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত ও যৌক্তিক মূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন পণ্য বিক্রয় থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তিন প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















