১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার

দামুড়হুদায় গভীর রাতে ২ পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুরাতন বাস্তপুরে অস্ত্রের মুখে দুই পরিবারকে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। এছাড়াও দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু রেখে গেছে তারা। 

সোমবার (২৬ মে) মধ্যরাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ডাকাতদলের রেখে যাওয়া বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে। 

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীরা হলেন, পুরাতন বাস্তপুর গ্রামের মাঠপাড়ার মৃত. জোনাব আলীর দুই ছেলে আতিয়ার রহমান ও আনোয়ার হোসেন।

ভুক্তভোগী আতিয়ার রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। আনুমানিক ১টার দিকে হাফপ্যান্ট পরিহিত কালো মুখোশধারী অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের একদল আমার ঘরে ঢুকে চর্চ লাইট জ্বালাতে থাকে৷ যেহেতু আমার বাড়িটি নির্মাণাধীন হওয়া মূল ফটক (গেট) না থাকার কারণে সরাসরি আমার ঘরে তারা প্রবেশ করে। তারা পানি ও মুড়ি খেতে চাইলে কল থেকে পানি আনতে গেলে দুজন আমার হাত-পা বেঁধে ফেলে। আমার স্ত্রী-সন্তানদের ডেকে তুলে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ৫২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। 

আতিয়ার রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, একই বাড়ির মধ্যে আমার বড় ভাই আনোয়ারের ঘরে ঢুকে তাদেরকেও জিম্মি করে নগদ ১০ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীর কানের স্বর্ণের দুল নিয়ে যায়। এছাড়া তারা চলে যাওয়ার সময় একটু দূরে দুটি লাল কসটেপ দিয়ে মোড়ানো বোমা সাদৃশ্য বস্তু রেখে যায়। পরবর্তীতে পুলিশকে জানালে তারা এসে বিস্তারিত শোনেন এবং বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে বালতির পানির ভেতরে আমার বাড়িতেই রেখে যায়। এটি ককটেল বলে ধারণা করছি।

তিনি রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে আরও বলেন, তাদের প্রত্যেকে হাফপ্যান্ট, কালো গেঞ্জি ও কালো মুখোশ পরিহিত ছিলেন। তাদের হাতে ধারাল অস্ত্র ও লোহার রড ছিল। আমি কাউকে চিনতে পারেনি। এ ঘটনায় আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।

দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) হুমায়ুন কবীর রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শক করেছি এবং ভুক্তভোগীদের নিকট বিস্তারিত শুনেছি। ডাকাতদল দুই ভাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরেই দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি। অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে৷ 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় জোরপূর্বক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগ, ৬২ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার

দামুড়হুদায় গভীর রাতে ২ পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

প্রকাশের সময় : ০৭:২৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুরাতন বাস্তপুরে অস্ত্রের মুখে দুই পরিবারকে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। এছাড়াও দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু রেখে গেছে তারা। 

সোমবার (২৬ মে) মধ্যরাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ডাকাতদলের রেখে যাওয়া বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে। 

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীরা হলেন, পুরাতন বাস্তপুর গ্রামের মাঠপাড়ার মৃত. জোনাব আলীর দুই ছেলে আতিয়ার রহমান ও আনোয়ার হোসেন।

ভুক্তভোগী আতিয়ার রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। আনুমানিক ১টার দিকে হাফপ্যান্ট পরিহিত কালো মুখোশধারী অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের একদল আমার ঘরে ঢুকে চর্চ লাইট জ্বালাতে থাকে৷ যেহেতু আমার বাড়িটি নির্মাণাধীন হওয়া মূল ফটক (গেট) না থাকার কারণে সরাসরি আমার ঘরে তারা প্রবেশ করে। তারা পানি ও মুড়ি খেতে চাইলে কল থেকে পানি আনতে গেলে দুজন আমার হাত-পা বেঁধে ফেলে। আমার স্ত্রী-সন্তানদের ডেকে তুলে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ৫২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। 

আতিয়ার রহমান রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, একই বাড়ির মধ্যে আমার বড় ভাই আনোয়ারের ঘরে ঢুকে তাদেরকেও জিম্মি করে নগদ ১০ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীর কানের স্বর্ণের দুল নিয়ে যায়। এছাড়া তারা চলে যাওয়ার সময় একটু দূরে দুটি লাল কসটেপ দিয়ে মোড়ানো বোমা সাদৃশ্য বস্তু রেখে যায়। পরবর্তীতে পুলিশকে জানালে তারা এসে বিস্তারিত শোনেন এবং বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে বালতির পানির ভেতরে আমার বাড়িতেই রেখে যায়। এটি ককটেল বলে ধারণা করছি।

তিনি রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে আরও বলেন, তাদের প্রত্যেকে হাফপ্যান্ট, কালো গেঞ্জি ও কালো মুখোশ পরিহিত ছিলেন। তাদের হাতে ধারাল অস্ত্র ও লোহার রড ছিল। আমি কাউকে চিনতে পারেনি। এ ঘটনায় আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।

দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) হুমায়ুন কবীর রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শক করেছি এবং ভুক্তভোগীদের নিকট বিস্তারিত শুনেছি। ডাকাতদল দুই ভাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরেই দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি। অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে৷