দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় চুয়াডাঙ্গার বিপর্যস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন বিপাকে। এলাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও চায়ের দোকানে শীত নিবারনের চেষ্টায় খড়কুটো জ্বালিয়ে উত্তাপ নিতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের।
আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গায় ৮দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এবং বাতাসের আদ্রতা ৮৭ শতাংশ। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে মৃদ শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
জেলা শহরে আজিজুল হক নামের এক ভ্যান চালক বলেন, আমার বয়স ৭০ ছুঁইছুঁই। খুব সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছি। মনে হচ্ছে ঠান্ডায় হাত ও পায়ের পাতা মনে হচ্ছে বরফ হয়ে যাচ্ছে। যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। হালকা বাতাসে পুরো শরীর কাঁপছে। এ রকম আরও কয়েকদিন হলে সকালে বের হওয়া যাবে না।
একজন হোটেল কর্মচারী বলেন, প্রতিদি সকালে নাশতার জন্য হোটেলে প্রচুর চাপ থাকে। এজন্য ফজরের আজানের পর থেকেই কাজ করতে হয়। ভোরে পানিতে হাত পড়লে মনে হচ্ছে অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুলগুলো নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও পেটের দায়ে কাজ করছি।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কুয়াশা কম হলে তাপমাত্রাও কমবে।
এএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























