০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : বিএনপি নেতা রফিককে কুপিয়ে হত্যা

তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এরমধ্যে আহত শফিকুল ইসলামের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন।

আজ শনিবার (০৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তিতুদহ বাজারে ঘটনা ঘটে।

নিহত রকিফুল ইসলাম রফিক চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।

আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত. রহিম মল্লিকের ছেলে (এবং নিহত রফিকুল ইসলামের আপন বড় ভাই শফিকুল ইসলাম (৫০), একই গ্রামের কামারপাড়ার মৃত. জহুরুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০) মৃত. আবু বক্করের ছেলে আব্দুল আলিম (৫৫) ও একই ইউনিয়নের হুলিয়ামারি গ্রামের মৃত. শরবত মণ্ডলের ছেলে আইনাল হক (৫০)

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের টিসিবির কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিলন গ্রুপ ও সাংগঠনিক রফিক গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। এরমধ্যে উভয়পক্ষের ধাওয়া পালটা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটে।

এরই জের ধরে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এতে উভয়পক্ষ ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা-সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধারাল অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কোপে ঘটনাস্থলে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক নিহত হন। আহত হন আরও চারজন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আহত চারজনের মধ্যে শফিকুল ইসলামের অবস্থা আশংকাজনক। তার মাথার হাড় ভেঙ্গে গেছে। সার্জারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করছেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) কনক কুমার দাস গণমাধ্যমকে বলেন, টিসিবির কার্ড বন্টন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপরই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই রফিক নামের একজন মারা যায়। কয়েকজন আহত হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

বাঁশ কেনার কথা বলে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে ধ র্ষ ণ, অভিযুক্তকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : বিএনপি নেতা রফিককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১১:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এরমধ্যে আহত শফিকুল ইসলামের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন।

আজ শনিবার (০৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তিতুদহ বাজারে ঘটনা ঘটে।

নিহত রকিফুল ইসলাম রফিক চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।

আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত. রহিম মল্লিকের ছেলে (এবং নিহত রফিকুল ইসলামের আপন বড় ভাই শফিকুল ইসলাম (৫০), একই গ্রামের কামারপাড়ার মৃত. জহুরুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০) মৃত. আবু বক্করের ছেলে আব্দুল আলিম (৫৫) ও একই ইউনিয়নের হুলিয়ামারি গ্রামের মৃত. শরবত মণ্ডলের ছেলে আইনাল হক (৫০)

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের টিসিবির কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিলন গ্রুপ ও সাংগঠনিক রফিক গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। এরমধ্যে উভয়পক্ষের ধাওয়া পালটা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটে।

এরই জের ধরে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এতে উভয়পক্ষ ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা-সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধারাল অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কোপে ঘটনাস্থলে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক নিহত হন। আহত হন আরও চারজন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, আহত চারজনের মধ্যে শফিকুল ইসলামের অবস্থা আশংকাজনক। তার মাথার হাড় ভেঙ্গে গেছে। সার্জারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করছেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) কনক কুমার দাস গণমাধ্যমকে বলেন, টিসিবির কার্ড বন্টন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপরই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই রফিক নামের একজন মারা যায়। কয়েকজন আহত হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।