০৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : ইসি আনোয়ারুল

আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের ১৪৮ আর্টিকেল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার শপথ না পড়ান তাহলে চতুর্থ দিন থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। আরও যে আইনগত বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলোর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন, তারা হয়তো করবেন। তবে, এর বাইরে বেশি কিছু বলা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। কারণ কবে, কখন এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে সেটি এখনো আমরা অফিশিয়ালি অবগত নই। সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে কোনো অফিশিয়াল চিঠিপত্র আসেনি।

তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে যারা এসেছেন, তাদের বক্তব্য আমরা শুনেছি। তারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশের কোনো প্রশ্ন আসে না। নিয়ম অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি আরও স্মার্টলি কীভাবে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা যায়। গেজেট প্রকাশের সময়কাল আরও আগে দেওয়া গেলে ভালো হতো। আমাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন, তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই ফলাফল তৈরির কাজটি করেছেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ১১ দলীয় জোটের দাবিগুলোর বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। আইন তাদেরকে এই সুযোগ দিয়েছে যে, যদি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা নিয়ে হাইকোর্টের কাছে গেলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পাবে। একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমার বিশ্বাস ছিল যে একটি ভালো নির্বাচন হবে। আল্লাহ সরাসরি আমাদেরকে সহায়তা করার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

বাঁশ কেনার কথা বলে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে ধ র্ষ ণ, অভিযুক্তকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : ইসি আনোয়ারুল

প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের ১৪৮ আর্টিকেল অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার শপথ না পড়ান তাহলে চতুর্থ দিন থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। আরও যে আইনগত বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলোর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন, তারা হয়তো করবেন। তবে, এর বাইরে বেশি কিছু বলা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। কারণ কবে, কখন এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে সেটি এখনো আমরা অফিশিয়ালি অবগত নই। সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে কোনো অফিশিয়াল চিঠিপত্র আসেনি।

তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে যারা এসেছেন, তাদের বক্তব্য আমরা শুনেছি। তারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশের কোনো প্রশ্ন আসে না। নিয়ম অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি আরও স্মার্টলি কীভাবে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা যায়। গেজেট প্রকাশের সময়কাল আরও আগে দেওয়া গেলে ভালো হতো। আমাদের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন, তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই ফলাফল তৈরির কাজটি করেছেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ১১ দলীয় জোটের দাবিগুলোর বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। আইন তাদেরকে এই সুযোগ দিয়েছে যে, যদি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা নিয়ে হাইকোর্টের কাছে গেলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পাবে। একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমার বিশ্বাস ছিল যে একটি ভালো নির্বাচন হবে। আল্লাহ সরাসরি আমাদেরকে সহায়তা করার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।