সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় ফেরা সহকর্মী ইব্রাহিম খলিলের খোঁজখবর নিতে তাঁর বাসভবনে ছুটে গেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। সহকর্মীর বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ইব্রাহিম খলিল চুয়াডাঙ্গা জেলা শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সমিতির অন্যতম সক্রিয় সদস্য এবং কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক। সম্প্রতি এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সেবায় শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ এলাকার নিজ বাসভবনে নেওয়া হয়।
তাঁর বাসায় ফেরার খবর পেয়ে শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে ছুটে যান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। তাঁরা অসুস্থ সহকর্মীর শয্যাপাশে সময় কাটান, চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। বিপদের সময়ে সহকর্মীদের এমন আন্তরিক উপস্থিতিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ইব্রাহিম খলিল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষক সমিতি কেবল পেশাগত অধিকার আদায়ের সংগঠন নয়; এটি একটি পরিবার। পরিবারের কোনো সদস্য সুখে-দুঃখে কিংবা বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। তাঁরা ইব্রাহিম খলিলের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম (ইসলাম রকিব), কোষাধ্যক্ষ ফিরোজ উদ্দিন, সহ-কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বিলকিচ নাহারসহ সমিতির অন্যান্য সদস্য।
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 


















