১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র কম্পোস্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন

চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র আধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। পরে আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের অপর প্লান্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মণিরামপুর গ্রামে এ প্লান্টের উদ্বোধন হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র স্বত্বাধিকারী ইরফান বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এগ্রো ফুড সিস্টেম ট্রান্সফারমেশন প্রোগ্রামের সহকারী পরিচালক নির্মল দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নির্মল দাস বলেন, ‘কম্পোস্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে নিরাপদ ও মানসম্মত জৈব সার উৎপাদন সম্ভব হবে। যা টেকসই কৃষি ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগ কৃষকদের খরচ কমাবে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।’ বিশেষ অতিথি কামরুজ্জামান যুদ্ধ বলেন, ‘ওয়েভ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কৃষি ও খামারি উন্নয়নে কাজ করছে। আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠারের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র স্বত্বাধিকারী ইরফান বিশ্বাস বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র যাত্রা শুরু হয়েছিল ছোট পরিসরে। আরএমটিপি প্রকল্প ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আজ আধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনে এই প্ল্যান্টকে কেন্দ্র করে কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত জৈব সার সরবরাহের পাশাপাশি এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। আমাদের লক্ষ্য টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন করা।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকল্পে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), ইফাদ ও ড্যানিডা। এর ফলে এই উদ্যোগ একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. আবু সালেহ মো. শহীদ, মনিটরিং এন্ড রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা পলাশ মিয়া, স্থানীয় খামারি, প্ল্যান্টে কর্মরত শ্রমিক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

বাঁশ কেনার কথা বলে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে ধ র্ষ ণ, অভিযুক্তকে ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র কম্পোস্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র আধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। পরে আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের অপর প্লান্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মণিরামপুর গ্রামে এ প্লান্টের উদ্বোধন হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র স্বত্বাধিকারী ইরফান বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এগ্রো ফুড সিস্টেম ট্রান্সফারমেশন প্রোগ্রামের সহকারী পরিচালক নির্মল দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নির্মল দাস বলেন, ‘কম্পোস্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে নিরাপদ ও মানসম্মত জৈব সার উৎপাদন সম্ভব হবে। যা টেকসই কৃষি ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগ কৃষকদের খরচ কমাবে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।’ বিশেষ অতিথি কামরুজ্জামান যুদ্ধ বলেন, ‘ওয়েভ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কৃষি ও খামারি উন্নয়নে কাজ করছে। আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠারের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র স্বত্বাধিকারী ইরফান বিশ্বাস বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা এগ্রো’র যাত্রা শুরু হয়েছিল ছোট পরিসরে। আরএমটিপি প্রকল্প ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আজ আধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনে এই প্ল্যান্টকে কেন্দ্র করে কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত জৈব সার সরবরাহের পাশাপাশি এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। আমাদের লক্ষ্য টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন করা।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকল্পে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), ইফাদ ও ড্যানিডা। এর ফলে এই উদ্যোগ একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. আবু সালেহ মো. শহীদ, মনিটরিং এন্ড রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা পলাশ মিয়া, স্থানীয় খামারি, প্ল্যান্টে কর্মরত শ্রমিক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।