চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সাপের কামড়ে মোহন আলী (১৩) নামে এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সাপের কামড়ের পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং অ্যান্টিভেনমের (বিষধর সাপ বা পোকামাকড়ের বিষের বিরুদ্ধে কাজ করার একটি বিশেষ প্রতিষেধক বা ওষুধ) প্রথম ডোজ প্রয়োগ করা হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় নেওয়ার পথে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর মহন আলীর মৃত্যু হয়। তিনি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার গোবিন্দপুর মাঠপাড়ার মুরাদ আলীর একমাত্র ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে মোহন । ভোররাতে হঠাৎ তার চিৎকারে পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভেঙে যায়। স্বজনরা দ্রুত তার কাছে ছুটে এসে জানতে পারেন, তাকে সাপে কামড় দিয়েছে। পরে দ্রুত মোহনকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সাপের কামড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর দ্রুত অ্যান্টিভেনমের প্রথম ডোজ প্রয়োগ করা হয়। চিকিৎসার পর মহনের শারীরিক অবস্থায় কিছুটা উন্নতি দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়ায় রেফার্ড করা হয়।
তবে কুষ্টিয়ায় নেওয়ার পথে হালসা এলাকায় পৌঁছালে মোহনের বমি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরে দ্রুত তাকে কুষ্টিয়ায় নেওয়া হলেও হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তার মৃত্যু হয়।
মহনের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে গোবিন্দপুর মাঠপাড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে তাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা সেখানে ভিড় করেন।
পরে বাদ মাগরিব গোবিন্দপুরে মোহন আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে গোবিন্দপুর গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এএইচ
আলমডাঙ্গা অফিস 






















