ফরিদপুরে ভুয়া ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেনকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও সংগঠনের নীতি-আদর্শবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত বায়েজিদকে পাঠানো এক চিঠিতে এই বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো এই অভিযান পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বায়েজিদ ২০২২ সাল থেকে অবৈধভাবে এই কারখানায় শিশুদের বেবি জেল, অননুমোদিত ওষুধ, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ও মাল্টিভিটামিন তৈরি করে আসছিলেন। ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬/১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সুত্র – ঢাকা পোস্ট
এএইচ
রেডিও চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক 


















