০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে রেখে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দুপুরে দিকে তিনি অসুস্থতা বোধ করলে মেডিকেলে বেশ কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা করা হয়। এখন কিছুটা সুস্থতা বোধ করার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না।’

তবে প্রয়োজন হলে যে কোনও সময় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ। বুধবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসায় এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে গত ১৩ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। পর দিন ১৪ মার্চ রাতে তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে তার অসুস্থতা বাড়া-কমার মধ্যে আছে। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবার হাসপাতালে যান। সবশেষ গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

গত বছরের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স হাসপাতালের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাংলাদেশে আসেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য। তাদের চিকিৎসা শুরুর পরই খালেদার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। সে যাত্রায় হাসপাতালে ১৫৬ দিন থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে কিছুদিন বিরতি দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাকে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

বাড়িতে রেখে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দুপুরে দিকে তিনি অসুস্থতা বোধ করলে মেডিকেলে বেশ কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা করা হয়। এখন কিছুটা সুস্থতা বোধ করার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না।’

তবে প্রয়োজন হলে যে কোনও সময় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ। বুধবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসায় এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে গত ১৩ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। পর দিন ১৪ মার্চ রাতে তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে তার অসুস্থতা বাড়া-কমার মধ্যে আছে। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবার হাসপাতালে যান। সবশেষ গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

গত বছরের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স হাসপাতালের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাংলাদেশে আসেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য। তাদের চিকিৎসা শুরুর পরই খালেদার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। সে যাত্রায় হাসপাতালে ১৫৬ দিন থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে কিছুদিন বিরতি দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাকে।