১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পায়ু পথে ঢুকে গেল ২৫ ইঞ্চির আস্ত কুঁচিয়া মাছ, পেট কেটে বের করলেন চিকিৎসক

গত রোববার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-২ এর প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী জানে আলমের নেতৃত্বে একটি চিকিৎসক দল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পেট থেকে মাছটি বের করে আনে।

এ সময় অস্ত্রোপচারে অংশ নেন সার্জারি ইউনিট-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদুল ইসলাম ও ডা. তৌফিক আজিজ শাকুর।

সম্রা মুন্ডা জহনের ছেলে তপন মুন্ডা অবুঝ (২৫) জানান, মিরতিঙ্গা চা বাগানে আমার বাবা প্রায় কুঁচিয়া মাছ ধরেন। গত শনিবার বিকেলে স্থানীয় হাইল হাওর চিকরাইলে মাছ ধরতে গিয়ে একটি কুঁচিয়া মাছ তার পায়ুপথ দিয়ে পেটে প্রবেশ করে।

রোববার আমার বাবাকে নিয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা আমাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এখানে আসার পর ডাক্তাররা রাতে অপারেশনের মাধ্যমে কুঁচিয়া মাছটি আস্ত বের করে নিয়ে আসেন। বর্তমানে আমার বাবা ওসমানী হাসপাতালের ৩য় তলার ১১ নং ওয়ার্ডের প্রথম ব্লকের এক নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি আগের চেয়ে সুস্থ আছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাহবুবুর আলম ভূইয়া বলেন, একজন রোগীর পেটে কুঁচিয়া মাছ প্রবেশের কারণে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।

পরে রোগীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমাদের এক দল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে প্রায় ২৫ ইঞ্চি মাপের কুঁচিয়া মাছটি বের করে আনেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের তৃতীয় তলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

পায়ু পথে ঢুকে গেল ২৫ ইঞ্চির আস্ত কুঁচিয়া মাছ, পেট কেটে বের করলেন চিকিৎসক

প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

গত রোববার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-২ এর প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী জানে আলমের নেতৃত্বে একটি চিকিৎসক দল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পেট থেকে মাছটি বের করে আনে।

এ সময় অস্ত্রোপচারে অংশ নেন সার্জারি ইউনিট-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদুল ইসলাম ও ডা. তৌফিক আজিজ শাকুর।

সম্রা মুন্ডা জহনের ছেলে তপন মুন্ডা অবুঝ (২৫) জানান, মিরতিঙ্গা চা বাগানে আমার বাবা প্রায় কুঁচিয়া মাছ ধরেন। গত শনিবার বিকেলে স্থানীয় হাইল হাওর চিকরাইলে মাছ ধরতে গিয়ে একটি কুঁচিয়া মাছ তার পায়ুপথ দিয়ে পেটে প্রবেশ করে।

রোববার আমার বাবাকে নিয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা আমাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এখানে আসার পর ডাক্তাররা রাতে অপারেশনের মাধ্যমে কুঁচিয়া মাছটি আস্ত বের করে নিয়ে আসেন। বর্তমানে আমার বাবা ওসমানী হাসপাতালের ৩য় তলার ১১ নং ওয়ার্ডের প্রথম ব্লকের এক নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি আগের চেয়ে সুস্থ আছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাহবুবুর আলম ভূইয়া বলেন, একজন রোগীর পেটে কুঁচিয়া মাছ প্রবেশের কারণে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।

পরে রোগীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমাদের এক দল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে প্রায় ২৫ ইঞ্চি মাপের কুঁচিয়া মাছটি বের করে আনেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের তৃতীয় তলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।