১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের লিফট অকার্যকর, কোলে করে নেয়া হচ্ছে রোগীদের

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের দুটি লিফটের মধ্যে একটি লিফট দীর্ঘদিন যাবত অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। এরমধ্যে সচল লিফটাও শনিবার (২২ জুন) সকাল থেকে অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরে দুপুরে মেরামত করা হয়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে রোগী, স্বজন ও চিকিৎসহ স্টাফদের।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, একটি লিফট বন্ধ থাকায় অপর লিফটের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। একারণেই সকাল থেকে অকার্যকর হয়ে পড়ে। দুপুরে মেরামত করা হয়েছে।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, স্বজনরা তাদের রোগীদের কোলে করে সিড়ি বেয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন ভবনের পঞ্চমতলায়। আবার ট্রলি না পাওয়ার কারণে জটিল রোগীকে তার স্বজনরা পাজাকোলা কিংবা ঘাড়ে করে নিয়ে যাচ্ছেন।

এক রোগীর স্বজন বলেন, আমার এক রোগী পঞ্চম তলায় চিকিৎসাধীন। সকালে এসে দেখি লিফট বন্ধ হয়ে আছে। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

অপর এক রোগীর স্বজন বলেন, আমার নানি পঞ্চমতলায় চিকিৎসাধীন। দিনে খাবার, ওষুধসহ ১০-১৫ বার উঠতে নামতে হচ্ছে। এতে প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, একটি লিফট বেশ কিছুদিন যাবত অকার্যকর থাকায় অপর লিফটে রোগী ও স্বজনদের অতিরিক্ত চাপের কারণে সেটিও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তবে সেটি দুপুরের মধ্যে চালু করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের লিফট অকার্যকর, কোলে করে নেয়া হচ্ছে রোগীদের

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের দুটি লিফটের মধ্যে একটি লিফট দীর্ঘদিন যাবত অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। এরমধ্যে সচল লিফটাও শনিবার (২২ জুন) সকাল থেকে অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরে দুপুরে মেরামত করা হয়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে রোগী, স্বজন ও চিকিৎসহ স্টাফদের।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, একটি লিফট বন্ধ থাকায় অপর লিফটের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। একারণেই সকাল থেকে অকার্যকর হয়ে পড়ে। দুপুরে মেরামত করা হয়েছে।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, স্বজনরা তাদের রোগীদের কোলে করে সিড়ি বেয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন ভবনের পঞ্চমতলায়। আবার ট্রলি না পাওয়ার কারণে জটিল রোগীকে তার স্বজনরা পাজাকোলা কিংবা ঘাড়ে করে নিয়ে যাচ্ছেন।

এক রোগীর স্বজন বলেন, আমার এক রোগী পঞ্চম তলায় চিকিৎসাধীন। সকালে এসে দেখি লিফট বন্ধ হয়ে আছে। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

অপর এক রোগীর স্বজন বলেন, আমার নানি পঞ্চমতলায় চিকিৎসাধীন। দিনে খাবার, ওষুধসহ ১০-১৫ বার উঠতে নামতে হচ্ছে। এতে প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন রেডিও চুয়াডাঙ্গাকে বলেন, একটি লিফট বেশ কিছুদিন যাবত অকার্যকর থাকায় অপর লিফটে রোগী ও স্বজনদের অতিরিক্ত চাপের কারণে সেটিও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তবে সেটি দুপুরের মধ্যে চালু করা হয়েছে।